প্রাচ্যে

 প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা

প্রাচ্যের  রাষ্ট্রচিন্তা হচ্ছে প্রাচ্যে অঞ্চলের রাজনৈতিক চিন্তার আলোচিত ক্ষেত্র। ইউরোপীয় ধারার বাইরে মিশর, সিরিয়া, ব্যাবিলন চীন ও ভারতীয় উপমহাদেশ অঞ্চলে রাষ্ট্র, সরকার, রাজনীতি ও মানুষের রাজনৈতিক জীবন নিয়ে চিন্তাভাবনার যে ধারা প্রবহমান তাকে সামগ্রিক ভাবে বলা হয় প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা।

ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তা

ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তা বলতে বোঝানো হয় ভারতের অভ্যন্তরে গত আড়াই হাজার বছরে যে সব রাষ্ট্রচিন্তক রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তাঁদের চিন্তাধারাকে। ভারতের রাষ্ট্রচিন্তায় সামন্তবাদ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে অবদান রেখেছেন কোটিল্য। তার দন্ডনীতি ও সপ্তাঙ্গ তত্ব নিয়ে আলোচনা রয়েছে। অর্থশাস্ত্র তার গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। সামন্তবাদী ভারতের রাষ্ট্রচিন্তায় সার্বভৌম শক্তি ও রাজতন্ত্রের তত্ব এবং রাষ্ট্র ও প্রশাসন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। রামমোহন রায়ের উদার দৃষ্টিভঙ্গি এবং স্বামী বিবেকানন্দের মানুষ সৃষ্টি, জাতি তৈরি ও সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধার ভারতের রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং গান্ধী পাশ্চাত্যে সভ্যতা ও রাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন। জওহরলাল নেহেরু ও সুভাষচন্দ্র বসু গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করেছেন। স্যার সৈয়দ আহমদ খান আলোচনা করেছেন জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে। বি আর আম্বেদকর আলোচনা করেছেন বিকল্প জাতীয়তাবাদ নিয়ে। এসব বিষয় নিয়েই গড়ে উঠেছে ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তা ও তার বিভিন্ন রুপ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন